August 16, 2016

শরীর ও মনের সুস্থতায় প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসঃ

শরীর ও মনের সুস্থতায় প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসঃ
*************পড়ুন ও শেয়ার করুন***********
১. ঘুম থেকে উঠার আধাঁ ঘন্টার মধ্যে ২ গ্লাস পানি পান আপনার ঘুমিয়ে থাকা মস্তিষ্ক জাগিয়ে তুলবে৷
২. সকালের নাস্তার টেবিলে বসে যেকোন বইয়ের শেষ পাতা অথবা সংক্ষিপ্ত বিবরণ পড়া আপনার সারাদিনের কাজকর্মে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
৩. সারাদিনের কর্মব্যস্ততার মাঝে যেটুকু সময় পাবেন তার মধ্যে ১০-১৫ মিনিটের কিছুটা সময় বুদ্ধিমত্তার চর্চা করতে পারেন৷ কোন গান, সঙ্গীত ও হালকা মিউজিক শুনতে পারেন।
৪. ঘরে বাইরে বা অফিসে বসে কাজ করার সময় সময় গ্রিন-টি খেতে পারেন৷
৫. দৈনিক খাবারের তালিকায় মিষ্টি জাতীয় খাবার রাখবেন না চিনিতে ফ্যাটি এসিড থাকে যা আপনার মস্তিষ্কের কাজের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে নিস্তেজ করে ফেলে।
৬. ইন্টারনেটের ব্যবহার দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে করুন। একটানা ৩-৪ ঘন্টা ইন্টারনেট ব্যবহার কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
৭. বেশি বেশি বই পড়ার চেষ্টা করুন, বই জ্ঞানের মহল সৃষ্টি করে।
৮. অবসর সময়ে সৃজনশীল কোন কাজ করুন, হতে পারে কোন প্রোগ্রামিং এর কাজ অথবা পাযেল মিলানো, সুডুকো ও কিছু বানানো।
৯. দিনব্যাপী কাজ করায় আমাদের মাঝে কিছু শারীরিক অস্থিরতা কাজ করে ও অস্বস্তি লাগে এমতাবস্থায় সাধারণ কিছু ব্যায়াম অনুশীলন করে নিন। শরীরের জড়তা কেটে যাবে।
১০. অভ্যাস সামাজিক ভাবেই সংক্রামক। আপনার থেকে স্মার্ট জ্ঞানী এমন ব্যক্তিদের সাথে সময় কাটান। নিজস্ব ধ্যান-ধারণার পরিবর্তনের সাথে সাথে তার থেকেও কিছু তথ্য আপনি নিজের কাজে লাগাতে পারেন।
১১. বন্ধুত্বপূর্ণ যুক্তিতর্কে কথা বলুন মানুষের সাথে, তাদের মনোভাব ও আপনার মনোভাব নিয়ে কথা বলুন। তারা কি ভাবছে কেন ভাবছে সেটা জেনে নিয়ে আপনার মতবাদ ও যুক্তি প্রস্তাব করুন।
১২. হাঁটার অভ্যেস করুন। খাবার আগে ও পরে অথবা সকাল বেলায় শান্ত স্নিগ্ধ ঠান্ডা পরিবেশ হাঁটাহাঁটি আপনার বাকি দিনের কাজকে গতিশীল করবে।
১৩. দিনের শেষে নিজের জন্য ১০ মিনিট নিন। সারাদিনে কি কি কাজ করলেন, কেন করলেন, কি কি সংশোধন করা উচিত, কোন কাজে আপনি লাভবান এবং কোনটায় আপনার ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে ভাবুন।
সবশেষে পরের দিনের জন্য তালিকা করে স্বস্থির নিশ্বাস নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন।
*************************************************

0 comments:

Post a Comment