August 26, 2016

How to Gp internet balance check rules 2016

At first take my salaam . Today i discuss about how to gp internet balance check . In 2016 Grameenphone update their checking system of internet balance . Some of my visitor ask how to gp internet balance check . So i decided to share this .

How to gp internet balance check 


First of all . Thanks for choosing gp or grameenphone . Their are three rules of checking gp internet balance .

1 . *566*10#
2. *566*13#
3. *567#


Thanks for visit our site and enjoys Gp internet balance checking system .

August 23, 2016

New Gp Free Net Update Free Browser

New Gp Free Net Update Free Browser

প্রথমে বলে রাখি এটা আসলে সম্পূর্ণ ফ্রী বলা যাবেনা। আপনারা তো জানেন জিপি Webpass ট্রিক এবং রবি ফ্রী ফেসবুক অফ করে দিয়েছে। তাই আপনাদের কথা মাথায় রেখে আপাতত ব্যাবহার করার জন্য এই সিম্পুল টিপস। প্রথমে জিপির ডিফল্ট সেটিং একটিভ করে নিন। এবার একটা জিপি সিমে ফেসবুক প্যাক কিনবেন। ফেসবুক প্যাক কেনার পর সিমে কোন টাকা বা মেগাবাইট রাখবেন না। তারপর Google Playstore থেকে Free Browser এপ্সটি ডাউনলোড করে নিবেন। এটা ওপেন করার সময় একটি window show করবে। সেখানে Upgread করতে বলবে আপনি No তে ক্লিক করবেন। এখন এই দিয়ে ইচ্ছা মত ফ্রী নেট ব্যাবহার করতে পারবেন। অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করতে পারছেন না কিন্তু একবার ট্রাই করে দেখুন যদি কাজ না করে তাহলে কথা দিলাম পোষ্ট টি আমি ডিলেট করে দিব। নোটঃ মনে রাখবেন যতক্ষণ ফেসবুক প্যাক এর থাকবে ততখন এইটা দিয়ে ফ্রী নেট চালাতে পারবেন। আর যাদের ফোনের র্যাম ১ জিবির কম তাদের ফোন হ্যাং করতে পারে। সবাইকে ধন্যবাদ। সুস্থ্য থাকুন,ভালো থাকুন এবং সব সময় আমাদের এর সাথেই থাকুন

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ঃ New Gp Free Net Update Free Browser

August 20, 2016

Gp 50 Mb 10 Tk Offer Must See

Welcome to our site . Today i am share a good offer by Grameenphone . This offer was published few days ago . I write details under .

 Terms & Conditions:
  • 50MB at Tk. 10 (Inclusive of SD+VAT+SC) valid for 2 Days
  • Customer needs to dial *5000*210# to enjoy the offer
  • 2 days validity includes the activation day
  • This offer will continue until further notice
  • After Internet Volume Expiration customers will be charged Tk .01/10KB (till validity exists, up to 200 Taka)
  • Unused Data Volume will not be carried forward
  • Dial *121*1*4# to know internet balance
  • Customer can only take the offer for 3 times within campaign period

August 16, 2016

মাথা ব্যথা দূর করার ১০টি কৌশলঃ

মাথা ব্যথা দূর করার ১০টি কৌশলঃ- অতিরিক্ত কাজের চাপ ও টেনশন,
পুষ্টির অভাব এবং কম ঘুমের
কারণে সাধারণত মাথাব্যথা হয়। মাথা
ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে
আমরা প্যারাসিটামল কিংবা ব্যথানাশক
ওষুধ খেয়ে থাকি। এসব উপায় সাময়িক মুক্তি দেয়, কিন্তু কিছু
অভ্যাস রপ্ত করে নিলে
আপনি মাথাব্যথা থেকে একেবারে মুক্তি
পেতে পারেন।
১) প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যান। পর্যাপ্ত
পরিমাণে ঘুমান।
২) হালকা ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে
শরীরের রক্ত চলাচল
ভাল হবে, ফলে মাথাব্যথা দূর হবে।
৩) চিন্তা মুক্ত থাকুন।
৪) প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।
৫) কফি কিংবা চা পান করতে পারেন। চা
ও কফিতে বিদ্যমান
ক্যাফেইন মাথা ব্যথার অ্যান্টিবায়োটিক
হিসেবে কাজ করে।
৬) লবঙ্গ গুঁড়ো করে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে নিয়ে ঘ্রাণ নিন।
এতে মাথাব্যথা কমে যাবে।
৭) হালকা গরম জলে হাত- পা ভিজিয়ে
রাখুন। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে।
ফলে মাথাব্যথা কমে যাবে।
৮) একটানা কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কাজ করবেন না। মাঝে
মাঝে চোখকে বিশ্রাম দিন।
৯) মাথা, কপাল ও ঘাড় ভালমতো ম্যাসাজ
করুন। এতেও
মাথাব্যথা দূর হবে।
১০) কাঙ্ক্ষিত অনাকাঙ্ক্ষিত সব পরিস্থিতি থেকে আনন্দ
খুঁজে নিন, প্রাণ খুলে হাসুন। [][] উপরের কৌশল গুলো মেনে চললেই খুব
সহজেই মাথা ব্যথা দূর করতে পারবেন।
কষ্ট করে পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। [][]:

স্যানিটারি ন্যাপকিনের ক্ষতিকারক প্রভাব এবং মুক্তি

স্যানিটারি ন্যাপকিনের ক্ষতিকারক
প্রভাব এবং মুক্তি:
""""""""""""""""""""""""""""""
""""""""""""""""""""""
স্বাস্থ্য সচেতন এবং কর্মব্যাস্ত জীবনে
নারীরা পিরিয়ডের সময়টুকোতে পছন্দসই নানান ব্র্যান্ডের স্যানিটারি
ন্যাপকিন ব্যবহার করে থাকেন।
আরামদায়ক এবং ব্যবহারের সুবিধার
জন্য এটি খুবই জনপ্রিয়। তবে এর কিছু
প্রভাব রয়েছে।
একটু লক্ষ্য করুন!!! """""""""""""""""""
নারীদের পিরিয়ডের সময়টুকোতে
পছন্দসই নানান ব্র্যান্ডের স্যানিটারি
ন্যাপকিন ব্যবহার করে থাকেন।
আরামদায়ক এবং ব্যবহারের সুবিধার
জন্য পিরিয়ডের সময়টুকোতে পছন্দসই নানান ব্র্যান্ডের স্যানিটারি
ন্যাপকিন খুবই জনপ্রিয়।
একটি মাত্র স্যানিটারি প্যাড পুরো
একদিন ব্যাবহারের করতে পারার
অন্যতম কারন হচ্ছে এর মধ্যে থাকা
ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি। যেমন গাছের মন্ড/
গাছপালার অপরিশোধিত শ্বেতসার
এবং মারাত্মক ভাবে শুষে নিতে পারে
এমন রাসায়নিক পদার্থ। যা তরল পদার্থ
সমূহকে জেলির মত থকথকে পদার্থে
রুপান্তরিত করে। এটা মুত্রাশয় এবং জরায়ুতে ক্যান্সার তৈরি করে।
পরীক্ষাগারে ন্যাপকিনের মধ্যে মানব
দেহের জন্য ক্ষতিকারক বিশেষ দুইটি
উপাদান ডক্সিন এবং সোডিয়াম
পলিসাইক্লেটের উপস্থিতি পাওয়া
গেছেঃ ডক্সিন"
"""""""
ডক্সিন হচ্ছে ক্লোরিনের একটি উপজাত
যেটি সাধারনত জীবানুনাশক হিসেবে
ব্যাবহার করা হয়। কিন্তু শরীরে
ডক্সিনের সামান্যতম উপস্থিতি আপনাকে সারা জীবনের জন্য এর
ভুক্তভোগী বানাতে পারে। শিশুদের
শরীরে ডক্সিনের সামান্যতম
উপস্থিতি তার রোগ প্রতিরোধের
ক্ষমতাকে সারা জীবনের জন্য নষ্ট করে
দিতে পারে। এর মানে স্বাভাবিকভেবে তারা যেমনটা হবার
কথা তেমনটা কখনোই হবে না।
মানবদেহে ডক্সিন শারীরিক বিকাশ,
প্রজনন ক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার
জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরুপ। ফলশ্রুতিতে
হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এমনকি ক্যান্সারের সৃষ্টি করতে পারে।
আমাদের শিশুরা ক্ষতিকারক ডক্সিন
সমৃদ্ধ এসব ন্যাপকিনের স্পর্শে ২৪
ঘন্টাই থাকে আর আমাদের মেয়েদের
শৈশব থেকে পুনরায় এর নতুন
সংস্পর্শতার সৃষ্টি হয়। হরমোন রোগ শিশুদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সাধারণ
হয়ে উঠছে, শারিরীক বৃদ্ধি
এবংউচ্চতায় মেয়েদের কনিষ্ঠতার
অন্যতম কারন হচ্ছে এটি।
সোডিয়াম পলিসাইক্লেট
"""""""""""""""""""""" দুর্ভাগ্যক্রমে ডক্সিন একমাত্র কারন
নয়। সোডিয়াম পলিসাইক্লেট বিশেষ
করে একধরনের শোষক জেল যেটি
ন্যাপকিনের ভেতরের জলীয় দ্রবনের
শোষণের কাজ করে থাকে। staph
infections অর্থাৎ চামড়ার উপর একধরনের সংক্রামকের জন্য সোডিয়াম
পলিসাইক্লেটকে দায়ী করা হয়ে
থাকে। স্টেপ ইনফেকশন হচ্ছে
স্টেপিলোকোকাস ব্যাকটেরিয়ার
ফলাফল যা চামড়ার উপর সাধারনত
থাকে। স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যাবহারকারীরা দীর্ঘদিন এলার্জির
প্রতিক্রিয়ার মধ্যে থাকে যা তারা
সচারচর ধরতে পারে না।
তাহলে কি করা যায়?
"""""""""""""""""""""
আল্ট্রা ন্যাপকিন কোনো অবস্থাতেই নয়, চাইলে ম্যাক্সি প্যাড ব্যাবহার
করতে পারেন। ম্যাক্সি প্যাড
অনেকটাই নিরাপদ। সবচেয়ে ভালো হয়
যদি আপনি শুধুমাত্র তুলোর তৈরি
প্যাড ব্যাবহার করেন। আর হ্যা… অবশ্যই
মনে করে আপনার প্যাডটি অন্তত প্রতি ৫ঘন্টা পর পর পরিবর্তন করুন।
যদি আপনি সময়কে দীর্ঘায়ীত করেন
আপনার রক্ত সবুজ রঙ ধারন করে সেখান
থেকে ছত্রাক তৈরি হয়ে জরায়ুর
মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
যার জন্য হতে পারে জরায়ু মুখে ক্যান্সার, এলার্জি সহ নানা সংক্রমন।
এই ব্যাপারটি নিয়ে কোন লজ্জা নয়।
আলোচনা করুন সবার সাথে, এমনকি
প্রতিটি ছেলের সাথেও যাতে করে
তারা তাদের পছন্দের মানুষ এবং
পরিবারকে একটি নিরাপদ জীবন পেতে সাহায্য করতে পারে।
সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
নিরাপদে থাকুন, সুস্বাস্থ এবং
শুভকামনা রইল।
*************** ***

অতি প্রয়োজনীয় টিপস

অতি প্রয়োজনীয় টিপস
=> গলায় মাছের কাটা লেগে গেলে, অর্ধেক
লেবু
নিয়ে রস
চুষে খেয়ে ফেলুন। কাটা নরম হয়ে নেমে
যাবে। => মুখে/জিভে সাদা ঘা হলে, পানির সাথে
কর্পূর
গুলে মুখ
দিনে ২ বার ধুয়ে নিন।
=> দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসাবে কাজ করে।
এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র , কয়েক চামচ দই
খেয়ে
নিন।
=> ২ টুকরা দারুচিনি ১টি এলাচি, ২টি
তেজপাতা
,২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেকে নিন।
হালকা
গরম
অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
=> মাথা ব্যথা হলে, কালজিরা একটা পুটলির
মধ্যে বেধে শুকতে থাকুন। পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন ।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice) E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই । .........ধন্যবাদ [ লাইক, শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করে
তুলতে
প্রতিদিন ডাক্তারি সকল প্রকার সেবা পেতে

ছোট ছোট কিছু টিপস



ছোট ছোট কিছু টিপস ।
০১. সারা দিন না খেয়ে থাকলে
অথবা পর পর কয়েক দিন সকালের
নাস্তা দিলে আমাদের অনেক সময়
গ্যাস এর সমস্যা হতে পারে। যদি
কারও এই সমস্যা হয় বা খাবার হজম
হতে না চায় তবে ১ গ্লাস পানির সাথে একটু লবণ ও একটু চিনি
মিশিয়ে খেয়ে নিবেন। এটি খুব
দ্রুত খাবার হজম করতে সাহায্য
করবে।
০২. তেজপাতা খুবই সামান্য একটা
মশলা জাতীয় খাবার। কিন্তু এর রস
খুবই উপকারী। মাইগ্রেন এর ব্যথা
তাছাড়া কোথাও আগুনে পুড়ে
গেলে তেজপাতার রস ব্যথা উপশমে
কাজ করে থাকে। তেজপাতাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন
সি, খনিজ উপাদান, এবং ফলিক
এসিড। তেজপাতার এতো গুণ
সম্পর্কে কি আমরা জানতাম ???
০৩. রসুন এর গুণাগুন সম্পর্কে জানেন
কি? • রসুন ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে
• কৃমি থেকে পরিত্রাণ পেতে
সাহায্য করে
• রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে
• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
• কোলেস্টেরল কমাতে ও ফাঙ্গাস দূর করতে সাহায্য করে
• ঠাণ্ডা কাশির প্রবনতা কমায়
• কানের সমস্যা দূর করতে সাহায্য
করে।
০৪. শাক সবজি হিমায়িত করণঃ
আমরা অনেকেই জানি না যে শাক
সবজি হিমায়িত করার সঠিক
পদ্ধতি। সঠিক নিয়মে শাক সবজি
হিমায়ন করলে তা অনেক দিন পর্যন্ত
ভালো থাকে। সাধারণ পদ্ধতিতে শাক সবজি হিমায়িত করতে নিম্ন
লিখিত ধাপ মেনে চলতে হয়।
-আকৃতি, বর্ণ, পরিপক্কতা ইত্যাদির
উপর ভিত্তি করে শাক সবজি বাছাই
করা হয়।
-পরিষ্কার পানিতে ধোয়া হয় এবং ছোট ছোট টুকরা করা হয়।
-প্রায় ৫ মিনিট ফুটন্ত পানিতে
রেখে ব্লাঞ্ছিং (ফুটান) হয়।
-এরপর 0.25% KMS দ্রবণে ১০ মিনিট
ডুবিয়ে রেখে পানি থেকে তুলে
নিয়ে পানি ঝরিয়ে ফেলা হয়। -পলিথিন ব্যাগে প্যাক করে ডিপ
ফ্রিজ এ রাখা হয়।
-এই ভাবে সবজি সংরক্ষণ করলে
অনেক দিন পর্যন্ত শাক সবজি ভালো
থাকে।
০৫. সবুজ শাক সবজি খুব উপকারী চুল
এবং ত্বকের জন্য। পালং শাক এবং
ফুলকপিতে আছে প্রচুর পরিমাণে
ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই,যা
আপনার স্কাল্প ভালো রাখে এবং
চুল এর গোঁড়া মজবুত করে। সেই সাথে ত্বক এর লাবণ্য ধরে রাখতেও
সবুজ সবজি খুবই উপাদেয়।
০৬. মাইগ্রেন এর ব্যথার সাথে
ডায়েট এর সম্পর্ক আছে। একটু সঠিক
নিয়মে খাবার গ্রহণ করলেই এই ব্যথা
থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যাদের
মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে তারা যখন
বাইরে যাবেন তখন বাসায় করা স্যলাইন, পানির সাথে একটু চিনি
অথবা মধু, একটু লবণ, মিশিয়ে খেয়ে
যাবেন এবং এসে আরও ১ গ্লাস
খাবেন। এতে অনেক উপকার
পাবেন। তাছাড়া কখনো খালি
পেটে থাকবেন না। খালি পেটে থাকলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়।
লাল রঙ এর সবজি খেয়েও অনেক
উপকার পাবেন। যেমন গাজর,
টমেটো ইত্যাদি।
০৭. অনেকেই ভাবেন বেশি ভাত
খেলে মোটা হওয়ার প্রবণতা
থাকে। অনেকেই আবার ডায়েট
থেকে একেবারেই ভাত বাদ দিয়ে
দেন। এ দুটোই ভুল ধারণা। Complex
carbohydrate জাতীয় খাবার হওয়ায় ভাত সহজেই হজম হয়। ১০০ গ্রাম
ভাতে আছে ১০০ ক্যালরি। পরোটা
ও রুটির তুলনায় ভাতই ভালো। তবে
ওজন, উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ভাতের
পরিমাণের রকমফের হবে। ফ্যাট এর
পরিমাণ ভাতে খুব কম মাত্র ০.৪ গ্রাম। আটার রুটির প্রায় সমান
ক্যালরি ভাতে। ভাতে Niacin,
vitamin-D, calcium, fiber, thiamin ও
Riboflavin যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে।
ভাতে Cholesterol ও Sodium নেই। তাই
Hypertension এ যারা ভুগছেন তারা ভাত খেতে পারেন। পেটের
সমস্যা থাকলে ভাত খান। কারণ
ভাতে Gluten নাই। *************** ***
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন ।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks) N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই ।
.........ধন্যবাদ [ লাইক, শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করে
তুলতে
প্রতিদিন ডাক্তারি সকল প্রকার সেবা পেতে
আমার পেইজে লাইক দিন।

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম !

কিডনি নষ্টের ১০টি
অনিয়ম !
.
১. প্রস্রাব আটকে
রাখা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান
না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন
খাওয়া।
৪. যেকোন সংক্রমনের
দ্রুত
চিকিৎসা না করা। ৫.
মাংস
বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায়
কম খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার
ওষুধ সেবন।
৮. ওষুধে সেবনে
অনিয়ম।
৯. অতিরিক্ত মদ
খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম

সুন্দর হওয়ার দারুন কিছু টিপস

৲৲৲ সুন্দর হওয়ার দারুন কিছু টিপস ৲৲৲
আজ আপনাদের জন্য হাজির করলাম কিছু ফাটাফাটি সৌন্দর্য্য টিপস। শুধু মেয়েরাই নয় ছেলেরাও এই টিপস গুলো অনুসরণ করে সুফল পেতে পারেন। তাহলে দেরি না করে আসুন জেনে নিই সুন্দর হওয়ার দারুন কিছু টিপস।
* তিল বেটে নিন অথবা গুড়ো করে নিন। এতে সামান্য জল মিশিয়ে ছেঁকে নিন। একটা সাদা রঙের তরল পাবেন সেটা মুখে লাগান, বিশেষ করে রোদে পোড়া জায়গায় লাগান। ত্বক ফর্সা হয়ে যাবে।
* ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য দই লাগান মুখে। মিনিট কুড়ি রাখুন। তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।
* নিয়মিত দুধ দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে ফেললেও ত্বক ফর্সা হয়।
* সারা গায়ের রং উজ্জল করতে বেসন, দই আর সামান্য হলুদ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। স্নানের সময় সাবানের বদলে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত।
* যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়, দু চা-চামচ কাঁচা দুধ, দু চা-চামচ আলুর রস ঠান্ডা করে এটি ব্যবহার করুন ক্লিনজার হিসেবে।
* মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন মিনিট পনেরো। মধু যখন আপনার ত্বক উজ্জল করবে, লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুন ত্বককে করবে আরও ফর্সা।
* লক্ষ্য করে থাকবেন অনেক ফর্সা লোকেরও ঠোঁটের রং কালচে। কিন্তু সে জন্য কিছুমাত্র নিরাশ হবেন না। কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস, মধু ও মাসাজ ক্রীম মিশিয়ে দিনে দু’বার ঠোঁটে মাসাজ করলে মাস খানেকের মধ্যেই সুফল পাবেন। তবে ব্যবহারটা নিয়মিত ও নিষ্ঠার সাথে করতে হবে। এভাবে চোখের নিচের কালিও অপসারিত হবে।
লাইক ও শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকুন।
আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।
√ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন.

শরীর ও মনের সুস্থতায় প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসঃ

শরীর ও মনের সুস্থতায় প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসঃ
*************পড়ুন ও শেয়ার করুন***********
১. ঘুম থেকে উঠার আধাঁ ঘন্টার মধ্যে ২ গ্লাস পানি পান আপনার ঘুমিয়ে থাকা মস্তিষ্ক জাগিয়ে তুলবে৷
২. সকালের নাস্তার টেবিলে বসে যেকোন বইয়ের শেষ পাতা অথবা সংক্ষিপ্ত বিবরণ পড়া আপনার সারাদিনের কাজকর্মে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
৩. সারাদিনের কর্মব্যস্ততার মাঝে যেটুকু সময় পাবেন তার মধ্যে ১০-১৫ মিনিটের কিছুটা সময় বুদ্ধিমত্তার চর্চা করতে পারেন৷ কোন গান, সঙ্গীত ও হালকা মিউজিক শুনতে পারেন।
৪. ঘরে বাইরে বা অফিসে বসে কাজ করার সময় সময় গ্রিন-টি খেতে পারেন৷
৫. দৈনিক খাবারের তালিকায় মিষ্টি জাতীয় খাবার রাখবেন না চিনিতে ফ্যাটি এসিড থাকে যা আপনার মস্তিষ্কের কাজের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে নিস্তেজ করে ফেলে।
৬. ইন্টারনেটের ব্যবহার দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে করুন। একটানা ৩-৪ ঘন্টা ইন্টারনেট ব্যবহার কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
৭. বেশি বেশি বই পড়ার চেষ্টা করুন, বই জ্ঞানের মহল সৃষ্টি করে।
৮. অবসর সময়ে সৃজনশীল কোন কাজ করুন, হতে পারে কোন প্রোগ্রামিং এর কাজ অথবা পাযেল মিলানো, সুডুকো ও কিছু বানানো।
৯. দিনব্যাপী কাজ করায় আমাদের মাঝে কিছু শারীরিক অস্থিরতা কাজ করে ও অস্বস্তি লাগে এমতাবস্থায় সাধারণ কিছু ব্যায়াম অনুশীলন করে নিন। শরীরের জড়তা কেটে যাবে।
১০. অভ্যাস সামাজিক ভাবেই সংক্রামক। আপনার থেকে স্মার্ট জ্ঞানী এমন ব্যক্তিদের সাথে সময় কাটান। নিজস্ব ধ্যান-ধারণার পরিবর্তনের সাথে সাথে তার থেকেও কিছু তথ্য আপনি নিজের কাজে লাগাতে পারেন।
১১. বন্ধুত্বপূর্ণ যুক্তিতর্কে কথা বলুন মানুষের সাথে, তাদের মনোভাব ও আপনার মনোভাব নিয়ে কথা বলুন। তারা কি ভাবছে কেন ভাবছে সেটা জেনে নিয়ে আপনার মতবাদ ও যুক্তি প্রস্তাব করুন।
১২. হাঁটার অভ্যেস করুন। খাবার আগে ও পরে অথবা সকাল বেলায় শান্ত স্নিগ্ধ ঠান্ডা পরিবেশ হাঁটাহাঁটি আপনার বাকি দিনের কাজকে গতিশীল করবে।
১৩. দিনের শেষে নিজের জন্য ১০ মিনিট নিন। সারাদিনে কি কি কাজ করলেন, কেন করলেন, কি কি সংশোধন করা উচিত, কোন কাজে আপনি লাভবান এবং কোনটায় আপনার ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে ভাবুন।
সবশেষে পরের দিনের জন্য তালিকা করে স্বস্থির নিশ্বাস নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন।
*************************************************

প্রয়োজনীয় হেলথ টিপস

আসুন কিছু প্রয়োজনীয় হেলথ টিপস জানিঃ-
• যারা নিয়মিত সকালের নাশতায় ডিম খাওয়ার অভ্যাস করেছেন
তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যদের চেয়ে অনেক তুখোড়
• কলা খেয়ে সোজা হয়ে কিছু সময় বসে থাকলে মাথাব্যথা কমে
• আপেলের চেয়ে আমড়ার পুষ্টিগুণ বেশি
• প্রতিদিন একটি পাকা টমেটো খেলে শরীরেররক্তকনিকা বাড়ে, ফলে ত্বক পরিস্কার হয়
• ঠাণ্ডা লেগে মাথাব্যথা হলে এক চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে দ্বিগুণ পানি মিশিয়ে একবার খেলে ব্যথা কমে যাবে
• ডালিম গাছের বাকল, পাতা, অপরিপক্ক ফল এবং ফলের খোসার রস
পাতলা পায়খানা, আমাশয় ও রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
সুস্থ থাখুন সবসময় আপনাদের সুখী ও সুস্থ জীবন আমাদের একান্ত কাম্য।
{{অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো জোগাড় করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ মরে যায় ।
তাই পেজটিকে জীবিত রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার করুন ।
√ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না।}

কাঁচা মরিচের উপকারিতা

কাঁচা মরিচের উপকারিতা ....
.
.
 গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের
মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে ।
 প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ
খেলে রক্ত জমাট বাধার
ঝুঁকি কমে যায় ।
.
 নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের
বিভিন্ন সমস্যা কমে যায় ।
.
 কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে
ক্যালোরি
পোড়াতে সহায়তা করে ।
 কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে
যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম
রাখে ।
.
 নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ।
.
 কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায় ।
.
 কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়,
দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা
করে ।
.
 কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে
ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি
ও চুলের সুরক্ষা করে । .
 নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের
বিভিন্ন সমস্যা কমে ।
.
 প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত
একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না ।
.
 কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি ।
তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া
কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ
খুবই উপকারী । .
 কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও
ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি,
কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে ।
------------------------------
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন । আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,

কম পানি পানে যেসব ক্ষতি হয়।

কম পানি পানে যেসব ক্ষতি হয়।
খাবার না খেয়েও যে কোন মানুষ অনেকদিন বাঁচতে পারে। কিন্তু পানি পান না করলে একদিনও টিকে থাকা অসম্ভব। তবে শুধু পানি পান করলেই হবে না।
শরীরকে সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি করা জরুরি। কারণ কম পানি পানে স্বাস্থের ক্ষতি একদিনেই টের পাওয়া যায়। আমাদের শরীরের দুই-তৃতীয়াংশ কাজই হয় পানির উপর ভিত্তি করে।
কাজেই এর অভাবে শরীরের নানা অংশ মারাত্মক ক্ষতি হবে এটাই স্বাভাবিক।
জেনে নিন কম পানি পানের ১০ ক্ষতি সম্পর্কে-
* পানিশূন্যতা :
পানি পান না করার প্রথম লক্ষই হলো পানিশূন্যতা।
এসব লোকেরা সবসময় তৃষ্ণা বোধ করেন এবং তাদের সবসময় মাথা ব্যথা হয়।
তাদের মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা এবং ত্বক অনেক শুষ্ক হয়ে যায়। এসব ব্যক্তির দেহে পানির অভাব যখন চরম পর্যায়ে.পৌছায় তখন নানা সমস্যা দেখা দেয়।
এর ফলে গাঢ় রঙ্গের প্রসাব, মাথা ঘোরা এবং বুকে ব্যথা অনুভব হয়। এর ফলে শিশু এবং বয়স্করা বেশিরভাগ সময় জ্বরে ভোগেন। পরবর্তীতে এসব রোগীরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।
* তাপমাত্রা বাড়ে :
ত্বক এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গকে ঠাণ্ডা রাখতে.কাজ করে শরীরের ভেতরের পানি।
কাজেই পর্যাপ্ত পানি পান না করলে এই কাজগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন হতে পারে না। ফলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে। শুধু তাই নয়,.এর অভাবে ঝিমুনি লাগে, দুর্বলতা বাড়ে এবং সবসময় খুব গরম এবং খুব ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। এমনকি এর অভাবে হিট স্ট্রোকেও কেউ কেউ মারা যেতে পারে।
* ভারসাম্যহীনতা :
পর্যাপ্ত পানি পানের অভাবে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহে বাধা পায়।
এর ফলে শরীরের বর্জ্যগুলো বের হতে পারে না। এছাড়া হাড় এবং জয়েন্টগুলোরও অনেক ক্ষতি হয়। এর ফলে শরীরের
ভিটামিন এবং খনিজ উপাদানগুলোর মধ্যে ব্যাপক ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। পরবর্তীতে কিডনি সমস্যা, জ্ঞান হারানো, রক্তচাপ নিচে নেমে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।
* হজমে সমস্যা :
পেট ভালোভাবে পরিষ্কার রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই। এর অভাবে ওজন বাড়ে। আর দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে অ্যালার্জি এবং হজমে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এর অভাবে ক্ষুধা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি বমি বমি ভাব এবং পেট ব্যথাও হয়।
* পেটে আলসার :
হজমে সাহায্য করার জন্য পেটে শতকরা ৯৮ ভাগ পানি
এবং ২ ভাগ সোডিয়াম বায়োকার্বেনেট দরকার। কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পানের অভাবে এর হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কাজ সুসম্পন্ন করতে পারে না। ফলে পরবর্তীতে গ্যাসের সমস্যা বেড়ে গিয়ে আলসার হতে পারে।
* জয়েন্টে ব্যথা :
তরুণাস্থির জয়েন্টগুলো এবং হাড়ের সুরক্ষায় শতকরা ৮০ ভাগ পানির প্রয়োজন হয়। অন্যথায় পানি কম পান করলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা অনুভূত হয়।
* পেশীর গঠন হ্রাস পায় :
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে দেহের মাংসপেশী সঠিকভাবে গঠিত হতে পারে না। কাজেই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই।
* অসুস্থতা বাড়ে :
পানির অভাবে শরীরে কোন রোগ বাসা বাঁধলে তা সহজেই ছাড়তে চায় না। ফলে দীর্ঘদিন রোগে ভুগতে হয়। সেইসঙ্গে সবসময় অসুস্থতাও বোধ হয়।
* ক্ষুধা মন্দা :
পানির অভাবে শরীর সঠিক সিগন্যাল দিতে পারে না। ফলে দিন এবং রাতের কোন সময়ই ক্ষুধা অনুভূত হয় না। শরীরে তেমন একটা শক্তিও পাওয়া যায় না। অন্যদিকে পর্যাপ্ত পানি পানের ক্ষুধা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি শক্তিও ফিরে আসে।
* অকাল বার্ধক্য :
আমাদের শরীরের ভিতরের এবং বাইরের বিভিন্ন অঙ্গ- প্রতঙ্গের জন্য প্রচুর পানি প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ত্বকে এর প্রভাব পড়বেই।
তখন অকালেই বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। যাহোক দেহের নানা ক্ষতি এড়াতে প্রতিদিন প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে গবেষকরা প্রতিদিন তিন লিটার কিংবা আট গ্লাস করে পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন।
আপনাদের সু স্বাস্থ্য আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে নিজে জানুন ও আপনাদের বন্ধুদের জানানোর সুযোগ করে দিন।

মুখের দুর্গন্ধ সমস্যা দূর করার ৭ টি কার্যকরী উপায়

মুখের দুর্গন্ধ সমস্যা দূর করার ৭ টি কার্যকরী উপায়......
মুখের দুর্গন্ধ সমস্যা খুবই বিব্রতকর একটি সমস্যা। অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। মূলত ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই বেশ কিছু সাধারণ উপায় এবং অভ্যাসেই এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন তাহলে জেনে নিই কিছু কার্যকরী উপায়।
১) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন.......
মুখের দুর্গন্ধ মূলত ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্টি হয় যা পানি পানের ফলে দূর করা সম্ভব। তাই পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এছাড়াও প্রতিবার পানি পান করার আগে একটু গার্গল করে নিলেও এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
২) প্রতিদিন নিয়মিত ব্রাশ ও ফ্লস করুন.......
দাঁতের ফাঁকে খাবারের কণা থাকার ফলেই মুখে ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি ঘটে। এতে করে দাঁতের যেমন ক্ষতি হয় মুখের দুর্গন্ধেরও সৃষ্টি ঘটে। নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মুখের দুর্গন্ধ দূর করা সম্ভব। তাই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ এবং সেই সাথে ফ্লস করে নিন।
৩) দাঁত পরিষ্কারের পাশাপাশি জিহ্বা পরিষ্কার রাখুন......
অনেক সময় নিয়মিত দাঁত ব্রাশ ও ফ্লসের পরও মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। এর কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার জিহ্বা। একারণে দাঁত পরিষ্কারের পাশাপাশি জিহ্বা পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা উচিত সকলের।
৪) প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ........
বাজারে যে মাউথওয়াশ কিনতে পাওয়া যায় তাতে অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি থাকে। এতে করে দাঁতের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। ১ কাপ হালকা গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও কয়েক ফোঁটা পিপারমিন্ট অয়েল ভালো করে মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
৫) চা/কফি পানের পরিমাণ কমিয়ে দিন.......
চা/কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড থাকে যার কারণে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তাই চা/কফির পরিমাণ যতোটা সম্ভব কমিয়ে দেয়া উচিত।
৬) ধূমপান বন্ধ করুন......
ধূমপানের ফলে মুখের ভেতরটা একেবারে শুকিয়ে যায় এবং নিকোটিন স্যালাইভার সাথে মিশে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে ধূমপান বন্ধ করে দিন।
অতিরিক্ত সমস্যা মনে হলে ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হোন
যদি উপরিউক্ত সকল ধরণের পদ্ধতি অবলম্বনের পরও মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি না পাওয়া যায় তবে ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হয়ে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ নিন।

রোগ নিরাময়ে ডাবের পানি

রোগ নিরাময়ে ডাবের পানির ব্যবহার।
ডাবের পানির বহুবিধ উপকার রয়েছে। আবার রোগ নিরাময়েও ডাবের পানির ব্যবহার হয়ে থাকে। আজ ডাবের পানির বেশ কিছু উপকারীতা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
ডাবের পানি আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারি। ডাবের পানির উপকারিতা বহু। ডাবের পানি সাহায্য করে অনেক রোগ নিরাময় করতে। আজ জেনে নিন ডাবের পানির উপকার সম্পর্কে কয়েকটি টিপস।
# ডাবের পানি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে এবং বদহজম দূর করে।
# এই সময়ের গরমে হাইড্রেশনের সমস্যায় ডাবের পানি খুবই কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।
# ডাবের পানি কলেরা প্রতিরোধ এবং উপশমে বিশেষভাবে কাজ করে।
# ব্যায়ামের পর ডাবের পানি পান করা উপকারী। কারণ ডাবের পানি শরীরের ফ্লুইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।
# ঘামাচি অথবা ত্বক পুড়ে গেলে বা র‍্যাশের সমস্যা হলে ডাবের পানি লাগালে উপকার পাবেন।
# ডাবের পানি গ্রোথ বাড়াতেও সাহায্য করে।
# ডাবের পানি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে থাকে।
# ডাবের পানি ব্লাড সার্কুলেশন ভালো করতে বিশেষ উপকারী।
# আবার কিডনীতে পাথর সমস্যা দূর করতেও ডাবের পানির তুলনা নেই। এটি ঔষুধ হিসেবে কাজ করে থাকে।
# গ্যাসট্রিক, আলসার, কোলাইটিস, ডিসেন্ট্রি ও পাইলসের সমস্যায় ডাবের পানি বিশেষভাবে কাজে দেয়।
# ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এটি আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। ভিটামিন সি ত্বক টিক রাখে।
# আবার ঘন ঘন বমি হলে ডাবের পানি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা

যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না!.
আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই
এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে
না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া
খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে।
অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে
পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ
হজম হয়।.
অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ
না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে
নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই
চলবে।
১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন।
তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে
ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক
কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে
আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না।
অথবা
২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে
চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি
পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন।
পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন।
তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে
হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক
দৌঁড়ে পালাবে।

তুলসী পাতা প্রতিরোধ করবে ৭টি রোগ

প্রতিদিন মাত্র একটি তুলসী পাতা প্রতিরোধ করবে ৭টি রোগ 
বহু ভেষজ গুণে গুণান্বিত তুলসী গাছ। আর এইজন্য তুলসী পাতাকে ভেষজের রানীও বলা হয়। প্রতিদিন তুলসীপাতা সেবন করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সহজলভ্য এই পাতাটি মাথাব্যথা থেকে শুরু করে ক্যানসারের মত রোগও প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি তুলসী পাতা আপনাকে দূরে রাখবে ৭ টি অসুখ থেকে। আসুন জেনে নিই তুলসীপাতার গুনাগুণ।
১। মাথাব্যথা দূর করতে
মাথাব্যথা খুব পরিচিত একটা রোগ। এটি যে কোন সময় যে কারোর হতে পারে। এই ব্যথা অল্প থেকে শুরু হলেও তীব্র হতে বেশি সময় লাগে না। তুলসীপাতা এই মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। এতে রয়েছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক গুণাগুণ যা মাথাব্যথা দূর করে থাকে। এমনকি মাইগ্রেন, সাইনাস, কারণে মাথাব্যথাও দূর হতে পারে কেবল প্রতিদিন একটি তুলসীপাতা খেলে।
২। ইনফেকশন বা সংক্রমণের চিকিৎসায়
দেহের ইনফেকশন দূর করে থাকে তুলসী পাতা। এতে ফাংজিসাইডাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা দেহের অভ্যন্তরীন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।
৩। কিডনির পাথর দূর করতে
তুলসীপাতা কিডনির পাথর সারাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসীপাতা খেলে এটি প্রাকৃতিকভাবে কিডনির পাথর দূর করে দিবে।
৪। ডায়াবেটিকস রোধ করতে
তুলসী পাতাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মিথাইল, ইউজিনল উপাদান আছে। এটি রক্তের সুগারের পরিমাণ কমিয়ে থাকে। আবার শরীরে প্রয়োজনীয় ইন্সুলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে। যা ডায়াবেটিকস রোধ করতে সাহায্য করে।
৫। কাশি দূর করতে
এটা আমরা সবাই জানি তুলসী পাতার রস কাশি দূর করে থাকে। সকালে এক গ্লাস পানির সঙ্গে তুলসীপাতা খান। এতে অ্যান্টিটুসিভ উপাদান যা কফ দূর করতে সাহায্য করবে। এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান বুকের শ্লেষ্মাকে বের করে দেবে।
৬। ক্যানসার প্রতিরোধে
তুলসী পাতাতে এ্যান্টি অক্সিডেণ্ট উপাদান আছে যা স্তন ক্যানসার এবং ওরাল ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তুলসীপাতার রস রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে যা টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে।
৭। ফুসফুসের জন্য
তুলসীপাতার মধ্যে পলিফেনল উপাদান আছে যা রক্তাধিক্যজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

পেটের মেদ কমাতে

পেটের মেদ কমাতেঃ
আমরা যারা দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করি। তাদের শরীরে ক্যালোরি কমার বদলে জমতে থাকে। দীর্ঘদিন একভাবে বসে কাজ করলে আমাদের ওজন বেড়ে যায়। মোটা হলে এমনিতেই দেখতে খারাপ লাগে। আর সবচেয়ে বেশি মেদ জমে আমাদের পেটে। যার ফলে আমাদের ফিগারের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে বেঢপ দেখায়। অনেক সময় আমরা পেটের চর্বি কমানোর জন্য খাবার খাওয়া প্রায় বন্ধই করে দেই। আবার অনেকে জিমে গিয়ে কয়েক দিন খুব ব্যায়াম করতে শুরু করি। না বুঝে এমন করার জন্য দেখা যায়, উল্টো ফল হয়েছে।
আসলে পেটের মেদ ঝেড়ে ফেলার কোনো সহজ পথ নেই, যার মাধ্যমে আমরা রাতারাতি ওজন কমিয়ে স্লিম হতে পারি। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান, ধৈর্য ও সাধনা।মূল কথা হলো, কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে হবে এবং অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। পেটের মেদ কমিয়ে আকর্শনীয় হতে যা করতে হবে:
নিয়মিত ব্যায়াম করুন
হাঁটা হলো সব চেয়ে ভালো ব্যায়াম, এমনভাবে হাঁটুন যাতে শরীর ঘামে, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়
পেটের চর্বি কমাতে পেটে চাপ পড়ে এমন ব্যায়াম করুন
বুক ডাউন পদ্ধতি বেশ কাজে দেয়
শুয়ে হাঁটু বাঁকা করে মাথার পেছনে হাত দিয়ে যতদূর সম্ভব কাঁধ ওপরের দিকে তুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এভাবে ১২ বার করুন
মেয়েরা বিছানায় শুয়ে দুই পা কমপক্ষে ১০ বার করে ১৫ মিনিট ধরে ওপরে তুলুন আর নামান
দুই পা একসঙ্গে ওপরে তুলতে পারেন, এভাবে প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
তবে পিরিয়ডের সময় পেটে অনেক চাপ পড়ে এমন ব্যয়াম করবেন না
খাদ্য তালিকা থেকে চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিন
রান্নায় জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন
ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে চিড়া, মুড়ি, খৈ খেতে পারেন
ভাত, রুটি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিমাণে কম খান
ছোট মুরগি, ছোট মাছ, শাক-সবজি, ফল বেশি খেতে পারেন
ডিমের কুসুম না খেয়ে সাদা অংশ খান
নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করুন
বাইরের কোমল পানীয়ের পরিবর্তে সাধারণ পানিই পান করুন
ধূমপানসহ সব ধরণের মাদক পরিহার করুন
ব্যায়াম বা ডায়েটিং শুরু করে ধৈর্য হারিয়ে ফেললে হবে না। নিয়মিত চেষ্টা করলেই ধীরে ধীরে আমরা কাঙক্ষিত ফিগার পেতে পারি। মনে রাখতে হবে, হয়তো দুই বছর ধরে বাড়তি মেদ আমাদের শরীরে জমেছে, এটা কমাতে তো একটু সময় লাগবেই।
অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো জোগাড় করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য

পেটের চর্বি থেকে মুক্তি

★ পেটের চর্বি থেকে মুক্তি ★
.
১. এক গ্লাস হালকা গরম
পানিতে লেবু ও একটু লবণ
দিয়ে শরবত
তৈরি করে প্রতিদিন
সকালে খাবেন।
.
২.সকালে দুই বা তিন
কোয়া কাঁচা রসুন খেতে হবে।
লেবুর শরবত পান করার পরই
এটি খেয়ে নিলে ভালো ফল
পাওয়া যাবে। এ
পদ্ধতিটি আপনার শরীরের ওজন
কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ
গতিতে করবে। একই
সঙ্গে আপনার শরীরের রক্ত
সঞ্চালন হবে মসৃণ গতিতে।
.
৩. সকালের নাশতায় অন্য
খাবারের
পরিমাণটা কমিয়ে সেখানে স্থান
করে দিতে হবে ফলের।
প্রতিদিন সকালে এক
বাটি ফল
খেলে পেটে চর্বি জমার হাত
থেকে অনেকটা রেহাই
পাওয়া যাবে।
.
৪. পেটের
চর্বি থেকে মুক্তি পেতে হলে পানির
সঙ্গে করতে হবে বন্ধুত্ব।
কেননা পানি আপনার শরীরের
পরিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়
এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর সব
কিছু বের করে দিতে সাহায্য
করে।
.
৫. সাদা চালের ভাত
থেকে দূরে থাকুন। এর
পরিবর্তে আটার
তৈরি খাবার খেতে হবে।
৬. দারুচিনি, আদা,
কাঁচা মরিচ দিয়ে রান্না করুন
আপনার খাবার।
এগুলো শরীরের রক্তে শর্করার
মাত্রা কমিয়ে রাখতে সহায়তা করে।
.
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপস

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপসঃ
১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০
মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে
থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে
তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত
খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা
করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয়
করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয়
করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন
ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল
কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য
জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল
বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে
মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার
নাও মেনে নিতে পারেন। ১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন,
ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে
নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন
তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন
এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন,
গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি
অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও
সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের
স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের
ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ
হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য
কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা
নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে।
পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট
করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট
করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের
জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন। ২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য
আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না
হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন
তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন
এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য
দেয়ার আগ্রহ থাকে না। তাই নিয়মিত লাইক
ও শেয়ার করুন৷ ******************************

August 15, 2016

রবি সিমে নতুন বায়োমেট্রিক অফার

আপনার রবি সিম যদি বায়োমেট্যিক রেজিস্ট্রেশন না করা থাকে তাইলে আজই রেজি করে লুটে নিন এম্বি  
বায়ো রেজি করলে পাবেন
২৪টাকা রির্চাজ করলে ৪.৪জিবি
৪বার পাবেন মোট ১৮জিবি তবে প্রতিবার ২৪টাকা রির্চাজ করতে হবে মেয়াদ ২৮দিন ২৪ঘন্টা ইউজ করতে পারবেন  
*140*27# ডায়াল করলে পাবেন ৭টাকায় ৫জিবি রাত১২থেকে দুপুর১২ টা পরজনতো মেয়াদ ১৫দিন  
*8666*19# ডায়াল করলে ২৩.৫০টাকায় পাবেন ২জিবি ইউজ টাইম জানি না  
শুধু বায়ো রেজি করলে পাবেন 

 

August 07, 2016

Gp sim Free 500MB Facebook

সবাইকে ধন্যবাদ  আমাদের সাইট ভিজিট করার জন্য আর আমাদের সাইট এর সাথে থাকলে আপনি ভালো ভালো অফার উপোভোগ করতে পারবেন ফ্রী তে । ইতি মধ্যে আমদের কিছু আগের পোস্ট দেখে নিন ।







উপোরক্ত ট্রিক গুলো আগেই প্রকাশিত হয়েছে । এগুলো এখন Working

আজকে আমাদের পোস্ট হলো

Gp sim Free 500 mb Offer


Gp sim Free 500MB
Facebook Internet Bonus Offer 2016 Details
জিপি সিম এ ফ্রি ৫০০ এমবি
MB পেতে ডায়াল করুন *৫০০০*১১৬#
Dial *5000*116# valid 30 days
Only Facebook.com
Facebook App

Thanks For Keep Visit and enjoy .

কীভাবে WOWBOX এর টিকিট হ্যাক করে আনলিমিটেড ইন্টারনেট চালাবেন

সবাইকে ধন্যবাদ  আমাদের সাইট ভিজিট করার জন্য আর আমাদের সাইট এর সাথে থাকলে আপনি ভালো ভালো অফার উপোভোগ করতে পারবেন ফ্রী তে । ইতি মধ্যে আমদের কিছু আগের পোস্ট দেখে নিন ।







উপোরক্ত ট্রিক গুলো আগেই প্রকাশিত হয়েছে । এগুলো এখন Working

আজকে আমাদের পোস্ট হলো

কীভাবে এর টিকিট হ্যাক করে আনলিমিটেড ইন্টারনেট চালাবেন 

বেশি কথা বলব না কারন নিচের পিকচার দেখলেই বুজতে পারবেন ।



এইরকম ভালো ভালো টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন । 

আনলিমিটেড ফ্রি ফেজবুক জিপি 2016

সবাইকে ধন্যবাদ  আমাদের সাইট ভিজিট করার জন্য আর আমাদের সাইট এর সাথে থাকলে আপনি ভালো ভালো অফার উপোভোগ করতে পারবেন ফ্রী তে । ইতি মধ্যে আমদের কিছু আগের পোস্ট দেখে নিন ।







উপোরক্ত ট্রিক গুলো আগেই প্রকাশিত হয়েছে । এগুলো এখন Working

আজকে আমাদের পোস্ট হলো  

     আনলিমিটেড ফ্রি ফেজবুক জিপি 2016

আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি আরেকটি ট্রিক নিয়ে । যা দিয়ে ফ্রি ফেজবুক চালাতে পারবেন । কিভাবে চালাবেন ?? উত্তর fb lite দিয়ে । চলুন দেখে নেই ।এটি চালাতে fb lite এর 6.0.0.7.138 এই ভার্সন লাগবে (আগে থাকলে চলবে) ডানলোড করার পর ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে লগিন করবেন । লগিন করার সময় বিলম্ব হতে পারে । লগিন হয়ে গেলে ফ্রি ফেজবুক চালাতে পারবেন । (কপি করলে ক্রেডিট দিবেন ,কমেন্টে আপনার মতামত,হ্যাকিং মনে হলে 10000 হাত দূরে থাকুন ) 



এইরকম আরো নতুন নতুন টিপস পেতে আমাদের সাইট ভিজিট করবেন । ধন্যবাদ সবাইকে ।